1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
লিঙ্গ প্রমাণে পোশাক খুলতে বাধ্য করল পুলিশ!
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৬৭% মৃত্যুর জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাতক থানার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম আবারো পুরস্কৃত ছাতক থানা পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে আন্ত:জেলা ডাকাত বাচ্চু গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের সব দাবি বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী বগুড়ায় বাস চাপায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত ভিসি পদত্যাগ করলেই তো সমস্যার সমাধান হবে না : শিক্ষামন্ত্রী হবিগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিভিল সার্জন অফিসে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ বানিয়াচং এর নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ যে গ্রামের মানুষ ফ্রান্সের ভাষায় কথা বলে এড. শাহীনের যুক্তরাষ্ট্র গমন উপলক্ষে মুন্সিপাড়া এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা

  • আপডেটের সময় : জানুয়ারি, ১৩, ২০২২, ১:১১ অপরাহ্ণ
লিঙ্গ প্রমাণে পোশাক খুলতে বাধ্য করল পুলিশ!
ছবি-সংগৃহীত

লিঙ্গ প্রমাণে পোশাক খুলতে বাধ্য করল পুলিশ!

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সঠিক প্রমাণ দিতে হবে। আর সেই প্রমাণ দেখতে চেয়ে চারজনকে পোশাক খুলতে বাধ্য করল পুলিশ! হেনস্তার এখানেই শেষ নয়। তাদের মারধরও করা হয় বলে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের এক প্রতিনিধি। এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের ত্রিপুরায়। যদিও পুলিশের দাবি, তারা কাউকে হেনস্তা করেনি। সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার। ওইদিন মেলার মাঠ এলাকায় এক অনুষ্ঠান সেরে ফিরছিলেন তৃতীয় লিঙ্গের চার ব্যক্তি। অভিযোগ, রাতে টহলরত পুলিশকর্মীরা তাদের ঘিরে ধরে নানা প্রশ্ন করতে থাকেন। শেষমেশ পশ্চিম ত্রিপুরা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই শুরু হয় হেনস্তা। পরনে নারীদের পোশাক কেন, এই প্রশ্ন করার পর তাদের পোশাক খোলার কথা বলা হয়।

এ সময় তৃতীয় লিঙ্গ পরিচয় প্রমাণের জন্য পুলিশকর্মীরা জোর করে তাদের জামা ছিড়ে দেয়। পরেরদিন থানা থেকে ছাড়ার সময় এই মর্মে পুলিশ তাদের মুচলেকা লিখিয়ে নেয় যে তারা সকলে পুরুষ এবং আর কখনো নারীদের পোশাক পরবেন না। এরপরই তাদের একজন পশ্চিম ত্রিপুরা থানায় হেনস্তার অভিযোগ দায়ের করেন।

যদিও পুলিশের পালটা দাবি, ওই চারজন সেদিন রাতে মেলার মাঠ এলাকায় তোলাবাজি করছিল। তাই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরেরদিন সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তারা পোশাক খোলা, মারধরের যে অভিযোগ আনছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

তবে বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট শোরগোল শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। ঘটনার পরদিন ওই চার তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির মধ্যে একজন থানায় পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর পালটা সাফাই দিলো পুলিশ।

প্রশ্ন উঠছে, অভিযোগ দায়েরের পর আত্মপক্ষ সমর্থনে কেন এত দেরি হল আইনরক্ষকদের? তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিদের আচরণ বা পোশাক-আশাক নিয়ে কেনই বা পুলিশের ‘দাদাগিরি’, এই প্রশ্ন তুলে উর্দিধারীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অনেকেই।

 

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /১৩ জানুয়ারি ২০২২/ এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ