1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
টিকা তৈরি করব অন্য দেশকেও দিব,ভ্যাকসিন তৈরির বাধাগুলো সরিয়ে দিতে হবে
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৪ অপরাহ্ন

টিকা তৈরি করব অন্য দেশকেও দিব,ভ্যাকসিন তৈরির বাধাগুলো সরিয়ে দিতে হবে

  • আপডেটের সময় : নভেম্বর, ১৬, ২০২১, ৩:৪২ অপরাহ্ণ

টিকা তৈরি করব অন্য দেশকেও দিব,ভ্যাকসিন তৈরির বাধাগুলো সরিয়ে দিতে হবে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট প্রেস ডেক্স নিউজ::- করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদন করে অন্য দেশকে দেওয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নিজেরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে চাই। ভ্যাকসিন তৈরির বাধাগুলো সরিয়ে দিতে হবে; উন্মুক্ত করতে হবে। এটা জনগণের প্রাপ্য। জনগণের সম্পদ হিসেবে দিতে হবে। সারাবিশ্বের কোনো মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে দূরে না থাকে।

গতকাল সোমবার সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পুরস্কার চালু করায় জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে আনা এক প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাবেক প্রধান হুইপ আবদুস শহীদ কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭ বিধিতে সাধারণ আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদে এ প্রস্তাব তোলেন। এতে বলা হয়, ‘জাতীয় সংসদে বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে ইউনেস্কোকে বাংলাদেশের সকল জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হোক।’ পরে এটি সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়।

সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে জাতির পিতার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘৭৫-এর পর আমরা কী দেখেছি? ১৯টা ক্যু হয়েছে। সেনা ও বিমানবাহিনীর অফিসার ও সৈনিক এবং সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। কারাগারে ফেলে রাখা হয়েছে, নির্যাতন চলেছে। গুলি-অস্ত্র, দুর্নীতি এটাই ছিল জননীতি। এর বাইরে একটা দেশকে যে উন্নত করা যায়, সেদিকে কোনো আন্তরিকতাই আমরা দেখিনি। আমি বাংলাদেশে আসার পর কী দেখেছি। বিজ্ঞান পড়েই না মানুষ। বিজ্ঞানের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই। গবেষণা তো ছিলই না। কোনো বিশেষ বরাদ্দও ছিল না।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এখন আমরা পিছিয়ে নেই। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণকে। তারা বারবার আমায় ভোট দিয়েছে। সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এক দশকের ভেতরে বাংলাদেশের পরিবর্তন সারাবিশ্বে একটা মর্যাদা পেয়েছে। বাংলাদেশের কাউকে বাইরে গিয়ে কথা শুনতে হয় না।

সংসদ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআই থেকে ইয়ংবাংলা নামে একটা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যুবসমাজকে উৎসাহিত করতে। এর লক্ষ্য স্টার্টআপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। তাদের এটাও বলা হয়, শুধু চাকরির পেছনে ঘুরবে কেন, চাকরি দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে। নিজের পায়ে দাঁড়াবে। নিজে ব্যবসা করবে, অন্যকে চাকরি দেবে। এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে আমাদের সরকারের আমলে।

শেখ হাসিনা বলেন, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগের কিছু তরুণ সংসদ সদস্য মিলে ইয়ংবাংলা স্টার্টআপ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে। এই প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ বরাদ্দও রাখা হয়েছে। ছেলেমেয়েরা যদি কেউ উদ্যোগ নিতে চায়, সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে। অনলাইনে কেনাবেচা, ই-কমার্স, টেন্ডার- এগুলো তো হয়েছে বাংলাদেশে। সামনে আরও হবে।

বাংলাদেশের প্রস্তাবে গত বছর ডিসেম্বরে ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের শরৎকালীন ২১০তম অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে বঙ্গবন্ধুর নামে আন্তর্জাতিক এই পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন অঙ্গনে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আর্থিক সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করে থাকে ইউনেস্কো। গত বৃহস্পতিবার প্যারিসে প্রথমবারের মতো ‘ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ইন দ্য ফিল্ড অব ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ পুরস্কার দেওয়া হয়। উগান্ডার ‘মোটিভ ক্রিয়েশন’ নামে একটি সংগঠন এই পুরস্কার পেয়েছে। প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পুরস্কার তুলে দেন। এ পুরস্কার দেওয়া হবে প্রতি দুই বছরে একবার, যার আর্থিক মূল্য ৫০ হাজার ডলার। বঙ্গবন্ধুর নামে পুরস্কার প্রবর্তন করায় বক্তব্যকালে ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।

উগান্ডার মোটিভ ক্রিয়েশনের মতো বাংলাদেশের যুবসমাজও এগিয়ে আসবে আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উগান্ডা আজকে এই পুরস্কার পেয়েছে। একদিন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশেরও কোনো না কোনো উদ্যোক্তা এই পুরস্কার পাবে বলে আমি আশা করি।’

প্রস্তাবের ওপর আরও বক্তব্য দেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আমির হোসেন আমু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ওয়াসিকা আয়শা খান, বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, বিএনপির হারুনুর রশীদ, জাপার রুস্তম আলী ফরাজী ও পীর ফজলুর রহমান।

সিলেটেপ্রেসবিডিডটকম ১৬ নভেম্বর ২০২১ Md Aktar Husen 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ