1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যা: আহতদের ফেলে রাখা হয় ডাস্টবিনে
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫২ অপরাহ্ন

  • আপডেটের সময় : সেপ্টেম্বর, ১৪, ২০২১, ১:২৪ অপরাহ্ণ
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যা: আহতদের ফেলে রাখা হয় ডাস্টবিনে
ছবি-সংগৃহীত

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যা: আহতদের ফেলে রাখা হয় ডাস্টবিনে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: চাকরিতে ভালো বেতনের আশ্বাসে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাংলাদেশিদের পাচার করা হতো লিবিয়ায়। সেখানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্ররোচনায় তাদের ‘ভাগ্য পরিবর্তনের’ প্রলোভন দেখিয়ে নেওয়া হতো আরও টাকা। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে পরের বছরের মে মাস পর্যন্ত অনেক বাংলাদেশিকে এভাবে লিবিয়ায় পাচার করে একটি চক্র।

২০২০ সালের ২৭ মে লিবিয়ায় পাচার হওয়া ২৬ বাংলাদেশিকে সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের মিজদায় একসঙ্গে বৃষ্টির মতো গুলি করে নির্বিচারে হত্যা করে লিবিয়ার মাফিয়ারা। এতে আহত হন আরও ১২ বাংলাদেশি

ওই ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানার মামলায় সম্প্রতি ৪১ জনকে অভিযুক্ত করে মানবপাচার আইনের ৬/৭/৮/১০ এবং পেনাল কোডের ৩০২/৩২৬/২৬ ধারায় আদালতে চার্জশিট দিয়েছে সিআইডি। চার্জশিটে এসব কথা উল্লেখ করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আছলাম আলী।

চার্জশিট আমলে নিয়ে পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন ঢাকার মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। মামলাটি এখন বিচার শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।

ভাগ্য পরিবর্তনের প্রলোভনে নেওয়া হতো মোটা অংকের টাকা
মামলার তদন্তকালে পাওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় জানা যায়, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে পরের বছরের মে মাস পর্যন্ত আসামিরা লিবিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণামূলকভাবে আন্তর্জাতিক রুট ব্যবহার করে বিভিন্ন অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভিকটিমদের লিবিয়ায় পাচার করেন। মামলার ভিকটিম সাইদুল, তরিকুল ও আসামিদের স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পাচারের পর নিহতদের পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা। টাকা না দিলে তাদের করা হতো অমানবিক নির্যাতন।

যেভাবে পাঠানো হতো লিবিয়ায়
মামলার চার্জশিটে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, নিহত বিজয়ের পরিবারের কাছ থেকে আসামি জাফর চার লাখ ২০ হাজার টাকা আদায় করেন। এরপর আসামি তানজিম, নাজমুল, জোবর আলী, হেলাল মিয়া, হাজি কামাল, আলী হোসেন, শাহাদত, শহীদ মিয়া, খবির উদ্দিনের মাধ্যমে আসামি জৌতি নুর শাওন ভারতের ওয়ানওয়ে ট্যুরিস্ট ভিসা দিয়ে বাসে করে ঢাকা থেকে কলকাতায় ভিকটিমকে পাঠান। সেখান থেকে প্লেনে মুম্বাই হয়ে দুবাই পাঠানো হয়। মুম্বাই থেকে মিসর হয়ে নেওয়া হয় লিবিয়ার বেনগাজীতে।

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১/ এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ