1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
দৈনিক ১৩০ টাকা বেতনের নুরুল ‘সাড়ে ৪০০ কোটি টাকার’ মালিক
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

  • আপডেটের সময় : সেপ্টেম্বর, ১৪, ২০২১, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
দৈনিক ১৩০ টাকা বেতনের নুরুল ‘সাড়ে ৪০০ কোটি টাকার’ মালিক
ছবি-সংগৃহীত

দৈনিক ১৩০ টাকা বেতনের নুরুল ‘সাড়ে ৪০০ কোটি টাকার’ মালিক

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: টেকনাফ স্থল বন্দরে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে দৈনিক ১৩০ টাকা বেতনে চাকরি করতেন নুরুল ইসলাম (৪১)। ২০০১ সালে এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান নুরুল। এই চাকরিকে পুঁজি করে বন্দরে কর্মরত থাকাকালীন চোরাকারবারি, শুল্ক ফাঁকি, অবৈধ পণ্য খালাস, দালালিসহ বিভিন্ন কৌশল রপ্ত করে অবৈধভাবে ৪৬০ কোটি টাকা সম্পদের মালিক হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এসব তথ্য জানান, র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। এরআগে সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ জাল টাকা, ৩ লাখ ৮০ হাজার মিয়ানমার মুদ্রা, নগদ ২ লাখ ১ হাজার ১৬০ টাকা ও ৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘চাকরির সুবাদে বন্দরের সংশ্লিষ্ট মানুষের সঙ্গে সখ্য গড়ে উঠে নুরুল ইসলামের, একপর্যায়ে গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। দালালি, পণ্য খালাস, পণ্যের আড়ালে অবৈধ মালামাল এনে অল্প সময়েই কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান এই কম্পিউটার অপারেটর।’র‌্যাবের দাবি, অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থের মাধ্যমে নুরুল ইসলাম ঢাকায় ৬টি বাড়ি ও ১৩ টি প্লটের মালিক হয়েছেন। এছাড়া তার সাভার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন, ভোলাসহ বিভিন্ন জায়গায় নামে-বেনামে সর্বমোট ৩৭টি প্লট-বাগানবাড়ি রয়েছে।

অবৈধভাবে তার অর্জিত সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৬০ কোটি টাকা।খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘২০০১ সালে টেকনাফ স্থলবন্দরে চুক্তিভিত্তিক দৈনিক ১৩০ টাকা হারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি নেন নুরুল। পরে বন্দরে কর্মরত অবস্থায় বিভিন্ন অবৈধ কাজে জড়িয়ে পড়েন নুরুল ইসলাম। এক পর্যায়ে ২০০৯ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে তার আস্থাভাজন এক ব্যক্তিকে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দেন।’আটক নুরুল টেকনাফ বন্দরের দালাল সিন্ডিকেটের অন্যতম মূলহোতা উল্লেখ করে র‌্যাব জানায়, তার সিন্ডিকেটের ১০-১৫ জন সদস্য রয়েছে।

এই সিন্ডিকেটটি পণ্য খালাস, পরিবহন সিরিয়াল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবৈধ মালামাল খালাসে সক্রিয় ছিল। এছাড়া, কাঠ, শুটকি মাছ, বরই আচার, মাছের আড়ালে ইয়াবাসহ অবৈধ পণ্য নিয়ে আসতো। চক্রটি টেকনাফ বন্দর, ট্রাক স্ট্যান্ড, বন্দর লেবার ও জাহাজের আগমন-বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ করত।অবৈধ আয়ের উৎসকে ধামাচাপা দিতে সে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে। এরমধ্যে এমএস আল নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ, এমএস মিফতাউল এন্টারপ্রাইজ, এমএস আলকা এন্টারপ্রাইজ, আলকা রিয়েল স্টেট লিমিটেড এবং এমএস কানিজ এন্টারপ্রাইজ অন্যতম। র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তার নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ১৯টি একাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে তিনি জাহাজ শিল্প ও ঢাকার কাছাকাছি বিনোদন পার্কেও বিনিয়োগ করছেন।

’তার সঙ্গে আর কারা জড়িত এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব জানায়, কম্পিউটার অপারেটর থাকাকালীন বন্দরের বেশিরভাগ লোক তাকে চিনতেন এবং সবার সঙ্গেই তার সুসম্পর্ক ছিল। এ কারণে তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজ করতে সুবিধা হতো। তার সঙ্গে দুই/একজন ব্যক্তি নয় অনেকেই তার কাজে সহযোগিতা করেছেন। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কারও নাম বলেনি, পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে নাম যাবে যাবে।কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকলেও ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত বন্দর কেন্দ্রিক অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ ছিল। সাভারে একটি পার্ক ও বন্দরে জাহাজ কেনার পরিকল্পনাও করেছিলেন তিনি।

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১/ এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ