1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
হবিগঞ্জের সাবেক ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস বাহুবলর ৩ টি ইউনিয়নে পানীয় জল পানে মুসলিম হ্যান্ডস টিউবওয়েল স্থাপন করেছে ৩০০টি নারীকে নৌকায় তুলে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদে আবেদন আহ্বান ছোট ভাইয়ের কিডনিতে নতুন জীবন পেলেন বড় ভাই অবশেষে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কার করতে রাজি হয়েছে সিসিক এয়ারপোর্ট এলাকায় টিলাকাটার দায়ে যুবককে জরিমানা সিলেটে স্বেচ্ছাসেবক পার্টির নব গঠিত আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কয়েসের পদ বহাল সিলেটে শুরু হচ্ছে শত বলের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

  • আপডেটের সময় : আগস্ট, ২, ২০২১, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
হবিগঞ্জের সাবেক ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা
ছবি-সংগৃহীত

হবিগঞ্জের সাবেক ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জ ডিবির সাবেক ওসি ও বর্তমানে রাজশাহী রেঞ্জের সিরাজগঞ্জ জেলায় কর্মরত ডিবির ওসি মানিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সিলেটে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। রবিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন মামলার বাদী তরুণী (২৭)।

এর আগে চলতি বছরের ২০ মার্চ সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ মো. মুহিতুল হক এনাম চৌধুরীর আদালতে মামলাটি করেন সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার ভুক্তভোগী তরুণী। বিচারক মামলাটি সাত কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জে কর্মরত থাকাকালে অভিযুক্ত মানিকুল ইসলাম ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর কদমতলা এলাকায় বডি মেসেজ করতে তাহলিল ফিজিও থেরাপী সেন্টারে প্রায়ই যাওয়া আসা করতেন। সেখানে পরিচয় হয় ফিজিও থেরাপিস্টের সহকারী তরুণীর সঙ্গে। ওই তরুণী থেরাপী সেন্টারে প্রায় চার বছর ধরে কর্মরত।

হবিগঞ্জে দায়িত্বের ফাঁকে মানিকুল ইসলাম তাজপুরে আত্মীয়তার সুবাদে প্রায় সময়ই তাজপুর গিয়ে ফিজিও থেরাপী সেন্টারে বডি ম্যাসেজ করতে গ্রাহক হিসেবে আসা-যাওয়া করতেন। এরই মধ্যে ওসি ডিবি মানিকুল ইসলাম ওই তরুণীকে বিভিন্ন সময় অসামাজিক কাজের প্রস্তাব দিতে থাকেন।

তরুণী তার আপত্তিজনক আচরণের প্রতিবাদ করেন এবং ফিজিও থেরাপি সেন্টারের পরিচালকের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। এরপর থেকে মানিকুল ইসলাম তরুণীর প্রতি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বিরক্ত করাসহ কুইঙ্গিত, কুপ্রস্তাব করে জীবন দুর্বিসহ করে তুলে। এরই মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে পরিকল্পিতভাবে থেরাপি রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন মানিকুল। তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, ‘ওসি ডিবি মানিকুল ইসলাম আমার উপর উপর্যুপরি পাশবিক অত্যাচার করেন। এমনকি আমার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার আর্তচিৎকারে মানিকুলের হাত আমার মুখের উপর থেকে সরে যায়। এতে মানিকুল ইসলাম আমাকে চর-থাপ্পর মেরে পালিয়ে যান।’

পরে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচারপ্রার্থী হলে উক্ত ফিজিও থেরাপি সেন্টারের পরিচালক তার নিজ দায়িত্বে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেয়ার আশ্বাস দেন।

কিন্তু ওসি মানিকুল ইসলাম তার ক্ষমতার অপব্যবহার দেখিয়ে বিচার সালিশ না মেনে সময়ক্ষেপন করতে থাকেন । অবশেষে ওই তরুণী থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ তার মামলা নেয়নি। পরে তিনি বাদী হয়ে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মানিকুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এছাড়া ভুক্তভোগী তরুণী পুলিশের আইজিপি ও রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ও সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এর আগে ২০২০ সালের ২০ আগস্ট মানিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ইউসুফ আলী নামে এক ব্যবসায়ী তার স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ও তার কাছে চাঁদা দাবি এবং হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের আইজিপি, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেন। ওসি মানিকের ক্রসফায়ারের ভয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন ইউসুফ আলী।

এছাড়াও মানিকুলের বিরুদ্ধে চোরাকারবারি, জালিয়াতি, প্রতারণাসহ রয়েছে একাধিক নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ। কিছু অভিযোগ তদন্তাধীন ও কিছু বিচারাধীন রয়েছে বলে সংশিষ্টরা জানিয়েছেন।

গত ১৭ জুলাই বিকালে তার বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল তদন্ত করতে সিলেটে আসেন এবং ভুক্তভোগী তরুণীর সাক্ষ্যসহ প্রমাণাদি নেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগটা ডিসিপ্লিন ২ শাখা অনুসন্ধান করছে।’

জানতে চাইলে তরুণীর অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমা বেগম বলেন, ‘কাগজপত্র আসছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

 

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /০২ আগস্ট ২০২১/ এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ