1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
বিয়ে ছাড়া ২ বছর মেলামেশা করেন মামুনুল : ঝর্ণার ৩ ডায়রি
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

  • আপডেটের সময় : এপ্রিল, ১০, ২০২১, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ড: যা বললেন তার নারীসঙ্গী (অডিও)
ছবি-সংগৃহীত

বিয়ে ছাড়া ২ বছর মেলামেশা করেন মামুনুল : ঝর্ণার ৩ ডায়রি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা’র লেখা ২০০ পৃষ্ঠার ৩টি ডায়েরি খোঁজ পাওয়া গেছে। যাতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ডায়রির লিখা অনুযায়ী, বিয়ে না করেই তাকে গ্রিনরোডের একটি বাসায় ঝর্ণাকে রাখেন মামনুল হক। খরচের টাকাও দিতেন। ডায়েরিতে লেখা, বিনিময়ে অবৈধ মেলামেশা করতেন যা মেনে নিতে পারেননি ঝর্ণা।

নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টে ঝর্ণাকে নিয়ে অবসর উদযাপনে গিয়েছি হাতেনাতে ধরা খান মামুনুল হক। তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দিয়েছিলেন। ঝর্ণার তিনটি ডায়েরি অনেক কিছুই খোলাসা করে দিয়েছে। সেখানে লেখা, দীর্ঘদিন ধরে মনোরঞ্জন করেছেন মামুনুল হক। বিবাহ বহির্ভূত মেলামেশার অনুশোচনাও ফুটে উঠেছে।

বিয়ে না করলেও ঝর্ণার নিয়মিত ভরণপোষন দিতেন মামুনুল হক। কিন্তু বিনিময়ে ঝর্ণাকে যা মাশুল দিতে হয়েছে তার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন সৃষ্টিকর্তার কাছে। ডায়েরির পাতায় পাতায় রয়েছে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের আর্তনাদ। কারো মনে প্রশ্ন তৈরি হতেই পারে এ ডায়েরিগুলো আসলেই ঝর্ণার লেখা কিনা? উত্তর মেলে তার বড় ছেলে আব্দুর রহমানের কাছে। তিনি গণমাধ্যমকে সেসব ডায়েরির প্রমাণ তুলে ধরেন।

বিয়ের বিষয়েও ধারণা রয়েছে ডায়েরিতে। মামুনুল হক দাবি করেন, ঝর্ণাকে বিয়ে করেছেন দুই বছর আগে। এ নিয়ে ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঝর্ণা ডায়েরিতে শুধু লিখেছেন এম-এগ্রিমেন্ট স্টার্ট। আর এ বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি লিখেছেন মামুনুল হক বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, পূরণ করেননি।

এসব ডায়েরি দেখে ক্ষুব্ধ ঝর্ণার ছেলেও। মামুনুলের কথিত স্ত্রীর ছেলে আবদুর রহমানের অনুরোধ, কাউকে বিশ্বাস করার আগে ভালভাবে যাচাই করার। মামুনুল হকের বিচারও দাবি করেন আব্দুর রহমান। মামুনুলের ঘটনা তৈরি করেছে অনেক প্রশ্ন, দেখা দিয়েছে সন্দেহ। তদন্তের মাধ্যমে সব কিছু পরিষ্কার হোক, এমনটাই চায় সমাজের সবাই।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে এক সপ্তাহ আগে এক নারীসহ অবরুদ্ধ হন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। তিনি ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন। বলেন, বিয়ে করেছেন শরিয়তসম্মত উপায়ে। তবে নিবন্ধন করেননি। ওয়ার ঘটনাসহ সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে ফেসবুক লাইভে এসে বৃহস্পতিবার মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ইসলামে চারটি বিয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দেশের আইনেও চার বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা নেই।

মামুনুল হক বলেন, কাজেই আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি এতে কার কী? যদি আমি স্ত্রীদের কোনো অধিকার থেকে বঞ্চিত করে থাকি, তবে আমার বিরুদ্ধে আমার পরিবার অভিযোগ দিতে পারে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ কি দেখাতে পারবে যে আমার পরিবার কোনো বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দিয়েছে?

তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ, আমার স্ত্রীদের সঙ্গে আমার কথোপকথন; এগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত বিষয় এবং আমার পরিবারিক বিষয়। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আমার ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। যারা ব্যক্তিগত আলাপচারিতাকে জনসম্মুখে প্রকাশ করে আমার নাগরিক অধিকার, আমার ধর্মীয় অধিকার, আমার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছেন- তারা প্রচলিত আইনে চরম অপরাধ করেছেন এবং তারা ইসলামি শরিয়তের আলোকেও অনেক বড় অন্যায় এবং অপরাধ করেছেন। ইসলামী শরিয়তের বিধান লঙ্ঘন করার কারণে আল্লাহর আদালতে আমি বিচার দায়ের করবো।

তিনি আরো বলেন, প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে আমার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করার অপরাধে যারা দুষ্ট আমি তাদের বিরুদ্ধেও অনতিবিলম্বে আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

 

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /১০ এপ্রিল ২০২১/ এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ