1. [email protected] : Faisal Ahmed : Faisal Ahmed
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
করোনায়ও থেমে নেই সিলেটের হ্যাক্সাসের বাণিজ্য
শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

  • আপডেটের সময় : এপ্রিল, ৬, ২০২১, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
করোনায়ও থেমে নেই সিলেটের হ্যাক্সাসের বাণিজ্য
ছবি- সিলেটপ্রেস

করোনায়ও থেমে নেই সিলেটের হ্যাক্সাসের বাণিজ্য

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার :: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সরকার দেশের সব কটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলেও নির্দেশনা অমান্য করে সুকৌশলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনেও কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। তেমনিভাবে সিলেটের আল-হামরার ৬ষ্ট তলায় হ্যাক্সাস নামে খ্যাত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দ্বিধায় কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে আড়াল করতে চেয়েছেন কোচিং বাণিজ্যের ঘটনাটি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সিলেটের এই প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। অপর এক শিক্ষক জানিয়েছেন, এক জনের দেখা-দেখি বসে নেই অন্যরাও। রোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ও সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ-নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যাক্সাসের ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন জানান, এখানো কোন ক্লাস হচ্ছে না। অথচ হ্যাক্সাসে আসা শিক্ষার্থীদের জানিয়েছেন তারা ক্লাস করতেই এখানে এসেছেন।

গত ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয় ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে লকডাউন। এখানে স্পষ্ট করা বলা হয়েছে শুধু মাত্র সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না। এমনকি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রজ্ঞাপনে। তাছাড়া এর পূর্বে ১লা এপ্রিল সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শুধু মাত্র সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল কিছু বন্ধ রাখার রাখার নির্দেশ দেন। এমনকি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অথচ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনায়াসে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে হ্যাক্সাস নামক প্রতিষ্ঠানটি।
এব্যপারে হ্যাক্সাসের সত্ত্বাধিকারী সুলতান আহমদের কাছে করোনার মধ্যে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না রেখে কেন খোলা রেখেছেন জবাবে তিনি বলেন, অনলাইনে ক্লাস করাতে হলে আমাদের সকল শিক্ষককে অফিস উপস্থিত হতে হয়। এখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে কোন ক্লাস হয় না।

নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক আরেকজন শিক্ষক জানান, সিলেটর অধিকাংশ স্থানে কোচিং বাণিজ্য চলছে। বিশেষ করে সিলেট সদরসহ লামাবাজার, রিকাবিবাজার, মদিনা মার্কেট, হাওয়াপাড়া, দক্ষিন সুরমারসহ বিভিন্ন এলাকায় অনৈতিক কৌশল অবলম্বন করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচেছ অনায়াসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, একাধিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোচিং চলায় বজায় থাকছে না সামাজিক দূরত্ব এবং কেউ-কেউ ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব দেখাচ্ছে। যেখানে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেন, সেখানে কিভাবে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোচিং সেন্টার চালায় এমন প্রশ্ন সচতন মহলের মধ্যে। এ সময় মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে জেলার সব কোচিং সেন্টার বন্ধসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সরকার দেশের সব কটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলেও নির্দেশনা অমান্য করে সুকৌশলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনেও কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন সিলেটের আল-হামরার খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান হ্যাক্সাস।

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /০৬ এপ্রিল ২০২১/ এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ