1. [email protected] : Developer :
  2. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
কসাইকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের লাশ পাঁচ টুকরা করে ছেলে: পুলিশ
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
করোনাভাইরাস :২১ জন শনাক্তদের মধ্যে ২০ জনই সিলেট জেলার তাহিরপুরের বাদাঘাটে পুত্রের হাতে পিতা খুন ! বাহুবলে উপজেলা কৃষকলীগের মাদক বিরোধী সমাবেশ মাধবদীতে সৎ ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ আসলাম সরদার সুরমা নদীর তীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে ১২০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ২য় দিনের মতো কর্মবিরতিতে বিশ্বনাথ উপজেলার স্বাস্থ্য সহকারিরা নবীগঞ্জে স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়ন বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত জাতীয় ধান,চাল ক্রয় কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ে জেলা কৃষকলীগ কে অন্তর্ভুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ফারিয়া-অপুর ভাঙল সংসার ৫ম শ্রেনীর ছাত্রের ভালোবেসে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে বিয়ে

  • আপডেটের সময় : অক্টোবর, ২২, ২০২০, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
কসাইকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের লাশ পাঁচ টুকরা করে ছেলে: পুলিশ

কসাইকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের লাশ পাঁচ টুকরা করে ছেলে: পুলিশ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামে ধানক্ষেত থেকে নুরজাহান নামে এক নারীর মরদেহের পাঁচ টুকরা উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মামলার বাদী ওই নারীর ছেলে হুমায়ুন কবির। তাকে সহযোগিতা করেছেন তার দুই আত্মীয়, এক কসাই বন্ধুসহ সাতজন।

মায়ের জিম্মায় আনা সুদের টাকা পাওনাদারদের না দিয়ে বাঁচতে এবং পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই মাকে হত্যার পরিকল্পনা নেন হুমায়ুন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

৭ অক্টোবর জাহাজমারা গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেত থেকে পুলিশ ওই নারীর মাথা ও দেহের একটি অংশ এবং পরদিন দুপুরে আরও তিনটি অংশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় নিহত নুরজাহান বেগমের ছেলে হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় মামলা করেন। ঘটনার ১৫ দিন পর বেরিয়ে এলো হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছেলে হুমায়ুনই। হুমায়ুনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এখনও দু’জন পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তার দু’জন দোষ স্বীকার করে আগেই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার হুমায়ুর কবিরও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানান, হুমায়ুন কবিরের সৎভাই বেলাল দেড় বছর আগে মারা যান। বেলাল গরু পালন, মাছচাষ ও ব্যবসা করার জন্য বেসরকারি সংস্থাসহ (এনজিও) মহাজনদের কাছ থেকে চার লাখ টাকা সুদে ঋণ নেন। বেলাল মারা যাওয়ায় ওই কিস্তির দায় এসে পড়ে তার মা নুরজাহান বেগমের ওপর। কিস্তি পরিশোধের জন্য মহাজন ও এনজিওকর্মীরা হুমায়ুন এবং তার মাকে চাপ দিতে থাকেন। এ জন্য হুমায়ুন তার মাকে সৎভাই বেলালের নামে থাকা জমি বিক্রির অনুরোধ করেন। এতে নুর জাহান রাজি হননি। এ নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর জেরেই হুমায়ুন মাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হুমায়ুন তার মামাতো ভাই কালাম ওরফে মামুন, মামাতো বোনের স্বামীসহ সাতজনকে নিয়ে ৬ অক্টোবর রাতে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে নেওয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী গভীর রাতে তারা নুরজাহান বেগমকে ঘুমের মধ্যে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন। পরে পেশাদার কসাই নুর ইসলাম লাশ পাঁচ টুকরা করে রাতেই পাওনাদার একই গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেন।

 

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম / ২২ অক্টোবর ২০২০/ এফ কে আর


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ