1. [email protected] : Developer :
  2. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
ওসি প্রদীপের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিল আদালত
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ছাতকে দীর্ঘদিনের পরকীয়া প্রেম-অতঃপর ধষর্ণের অভিযোগ বাহুবলে তথ্য সেবা কেন্দ্রের ডোর টু ডোর সেবায় গ্রামীণ নারীরা জামালগঞ্জে ৫ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ২০ অনুষ্ঠিত এসএমপির নবাগত পুলিশ কমিশনারের কাছে স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমন্বয় পরিষদের দাবি বাহুবলে দেওয়ান আব্দুল বাছিত ফাউন্ডেশন এক অসহায় মহিলার মেয়ের বিয়েতে ফার্নিচার দিলো বগুড়ায় ১ঘন্টার জেলা প্রশাসক পুষ্পা খাতুন! দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী নবীগঞ্জে নিখোঁজের ৪ দিনের মাথায় ধান ক্ষেতে অটোরিকশা চালক এর লাশ বাহুবলে একটি ব্রিকস ফিল্ডে দুর্বৃত্তের হানা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নই আমাদের অঙ্গীকার

ওসি প্রদীপের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিল আদালত

  • আপডেটের সময় : সেপ্টেম্বর, ২০, ২০২০, ৮:২০ pm
ওসি প্রদীপের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিল আদালত
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট প্রেস ডেস্ক:–টেকনাফ থানার আলোচিত সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এ আদেশ দেয় আশফাকুর রহমানের আদালত। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত উক্ত আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামি প্রদীপ কুমার দাশের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন। একই মামলায় রবিবার দুপুরে প্রদীপ কুমার দাশের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত দুদকের মামলায় প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। উল্লেখ্য, গত ২৩ আগস্ট প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন। দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১), মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য গত ২৭ আগস্ট মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে দুদক আবেদন করে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, চুমকি দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১৩ লাখ ১৩ হাজার ১৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া তিন কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে, যা ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে পরস্পর যোগসাজশের মাধ্যমে হস্তান্তর ও স্থানান্তরের মধ্য দিয়ে ভোগদখলে রেখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল দুদকের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বিত কার্যালয়-২ থেকে চুমকির কাছে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়। ১২ মে তিনি সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন। সম্পদ বিবরণীতে চুমকি ৩ কোটি ৬৬ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ টাকা স্থাবর এবং ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৪ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৬৯৪ টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে চুমকির নামে ৩ কোটি ৬৬ লাখ ২৪ হাজার ৪৭৫ টাকার স্থাবর এবং ৫৬ লাখ ২৪ হাজার ৩৯৪ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪ কোটি ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৯ টাকার সম্পদের হিসাব উঠে আসে। এ হিসাবে এজাহারে ১৩ লাখ ১৩ হাজার ১৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সময়ে তিনি ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পারিবারিক ব্যয়সহ অন্যান্য ব্যয় করেছেন। এ হিসেবে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৯ টাকা। কিন্তু দুদক অনুসন্ধানে তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পেয়েছে ৪৯ লাখ ১৩ হাজার ২৩৪ টাকা। এক্ষেত্রে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ হচ্ছে ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকা।

অন্যদিকে সম্পদ বিবরণীতে চুমকি তার বাবার কাছ থেকে দান হিসেবে পাওয়া জমিসহ একটি ছয়তলা বাড়ির তথ্য দেন। দুদক অনুসন্ধানে পেয়েছে, চুমকির বাবা সাবরেজিস্ট্রি দলিলমূলে তাকে বাড়ি দিলে তার অপর দুই ভাই ও এক বোনকে কোনও বাড়ি দেননি। অথচ দুই ছেলের নামে উল্লেখযোগ্য কোনও সম্পদও নেই। অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওসি প্রদীপ তার ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গোপন করার অসৎ উদ্দেশে স্থানান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে তার শ্বশুরের নামে বাড়ি নির্মাণ করে পরবর্তীতে তার স্ত্রী চুমকির নামে দান করিয়ে নিয়ে ভোগদখল করছেন।

সিলেটপ্রেসডটকম / সৈয়দ সাইফুল ইসলাম নাহেদ


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ