1. [email protected] : Developer :
  2. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষমতা দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের তথ্য উদ্‌ঘাটন করেছে গোয়েন্দা সংস্থা: ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রী শনিবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন জাতির পিতার অসম্পন্ন কাজ আমরা সম্পন্ন করবো: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া শেরপুরে তিন সন্তান নিয়ে লিটনের মানবেতর জীবন যাপন! গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি কবি রাজিয়া খানম জৈন্তাপুরে মসজিদের পাঠদান শিক্ষক কর্তৃক ফ্লাক্সের গরম চা ঢেলে শিশু ছাত্র নির্যতন বাহুবলে প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহঃ) এর স্মরণ সভা ওসমানীনগরে ভাবির দায়ের আঘাতে আহত দেবর বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দিরাইয়ে চাচাতো ভাইদের হামলায় ইতালি প্রবাসী আহত

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

  • আপডেটের সময় : সেপ্টেম্বর, ১২, ২০২০, ৮:২৯ pm
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ
ছবি-সংগৃহীত
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে দলের দুই প্রর্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দাওয়া-পাল্টাদাওয়াসহ ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে জাতীয় সংসদের শূণ্য ৪ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাতকার নেয়ার সময় কার্যালয়ের বাইরে যুবদল নেতা এস এম জাঙ্গীর ও বিএনপি নেতা কফিল উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। করোনা পরিস্থিতিতে অভিজাত কূটনৈতিক এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় প্রার্থীর পক্ষের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। এর মধ্যে একজনের মাথা ফেটে যায়। প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা জানান, ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও কফিল উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াসহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় একজনের মাথা ফেঁটে যায়।

উল্লেখ্য, ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নিতে শুক্রবার নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন দলের বাহাউদ্দিন সাদী, এম কফিল উদ্দিন, এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, ইসমাইল হোসেন, মোস্তফা জামান সেগুন ও মো. আখতার হোসেন। একই দিনে ঢাকা-৫, নওগা-৬ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্যও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন।

পূর্বনির্ধারিত সময় বিকেল ৫টায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে জাতীয় সংসদের শূণ্য হওয়া ৪টি আসনের উপনির্বাচনের জন্য দলীয় মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের সাক্ষাতকার শুরু হয়। মনোনয়ন বোর্ড আগের দিন মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের সঙ্গে সরাসারি কথা বলে সাক্ষাতকার নেয়া শুরু করেন। এতে বিএনপি মহাসচিবসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া লন্ডন থেকে স্কাইপিতে মনোনয়ন বোর্ডে সংযুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাতকার শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই ঢাকা-১৮ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরেরর সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দীনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রথমে উভয় প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে শ্লোগান করতালি দিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের রাস্তা দখলে নিতে চাইলে শুরু হয় সংঘর্ষ। এক পর্যায়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

এর আগে শুক্রবার নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন না দিতে দলের হাইকমান্ডের বরাবরে লিখিত আবেদন করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপি সমর্র্থিত ৮ কাউন্সিলর প্রার্থী। আবেদনটি তারা বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে থাকা দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে হস্তান্তর করেন। তারা হলেন- ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, ৫০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন, ৪৪নং ওয়ার্ডের মো. আনোয়ার হোসেন আয়নাল, ৪৭নং ওয়ার্ডের মোতালেব হোসেন রতন, ৪৬নং ওয়ার্ডের আরিফুর রহমান আরিফ, ৪৩নং ওয়ার্ডের মো. আক্তার হোসেন এবং সংরক্ষিত ৫২, ৫৩ ও ৫৪ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সোহেলী পারভীন শিখা ও সংরক্ষিত ৪৯, ৫০ ও ৫১ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী লুৎফা খানম চৌধুরী।

আগের দিন ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন না দিতে দলের হাইকমান্ডের কাছে ৮ কাউন্সিলর প্রার্থীর লিখিত আবেদনের পরই শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা। শনিবার বিকেলে দুই প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর ও কফিল উদ্দিন নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শোডাউন করে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আসেন মনোনয়ন বোর্ডের কাছে সাক্ষাতকার দিতে। নিজ নিজ পক্ষের শক্তি জানান দিতে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকরাই শ্লোগান দিয়ে মাঠ গরম করার চেষ্টা করে। এর পরই শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ।

এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন না দিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৮ কাউন্সিলর প্রার্থী আবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে এস এম জাহাঙ্গীর বিএনপির রাজনীতিতে গ্রুপিং কোন্দল সৃষ্টি করছেন। এ ছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সমন্বয় নেই। তবে এস এম জাহাঙ্গীরের সমর্থকরা জানিয়েছেন, কফিল উদ্দিনের পক্ষ হয়ে ৮ কাউন্সিলর প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। এস এম জাহাঙ্গীরের পরিবর্তে কফিল উদ্দিন যাতে মনোনয়ন পান সে জন্যই এই মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন ৮ কাউন্সিলর প্রার্থী।

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /১২ সেপ্টেম্বর ২০২০/এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ