1. [email protected] : Developer :
  2. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
সাহেদের শাস্তি হবে তো?
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জৈন্তাপুরে মসজিদের পাঠদান শিক্ষক কর্তৃক ফ্লাক্সের গরম চা ঢেলে শিশু ছাত্র নির্যতন বাহুবলে প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহঃ) এর স্মরণ সভা ওসমানীনগরে ভাবির দায়ের আঘাতে আহত দেবর বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দিরাইয়ে চাচাতো ভাইদের হামলায় ইতালি প্রবাসী আহত সৌদিতে বিরোধী দলের আত্মপ্রকাশ আজ ২৪ সেপ্টেম্বর বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুলের জন্মদিন। দৈনিক সমাচার পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রাসেল চৌধুরীরর রোগ মুক্তির জন্য বানিয়াচংয়ে দোয়া মাহফিল ইতালির ভেনিস সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাচিত মাধবপুরে বিজিবি’র অভিযানে ১০৪ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার

সাহেদের শাস্তি হবে তো?

  • আপডেটের সময় : আগস্ট, ৪, ২০২০, ৫:৩২ pm
রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ
ছবি-সংগৃহীত
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শহিদ আহমদ চৌধুরী :: বিশ্বের মানব সভ্যতার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় মানুষ সামাজিক জীব হিসেবে সমাজে বসবাস করেছে। সভ্যতার ছোয়ায় সমাজে পরিবর্তন ঘটেছে,শিক্ষার আলোয় মানুষ পেয়েছে আলোর সন্ধান,আলোকিত হয়েছে সমাজ।মানবতা ও মনুষত্ব্য এসেছে সমাজে।

মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করেছে,পরিবর্তন হয়েছে সমাজ। আর এর মূলে ছিল শিক্ষা। এই পরিবর্তন এসেছে সু শিক্ষা থেকে।আমরা আমাদের সমাজে নিজেকে শিক্ষিত দাবী করি।নিজেকে প্রথম শ্রেনীর মানুষ মনে করি, আসলে আমরা নৈতিকতার দিক থেকে কতটা শিক্ষিত ও উন্নত হতে পেরেছি তা কি একবার ভেবে দেখেছি।

মহামারি করোনা বাংলাদেশে প্রথম লক্ষণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ ২০২০। এর আগে ২০১৯ সালের শেষের দিকে আমরা লক্ষ্য করলাম বিশ্ব অর্থনীতির পরাশক্তি বৃহৎ চীনে এক অজানা ভাইরাসের দ্বারা অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হতে চলেছে।এ ভাইরাস কে RNA virus হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়,যা করোনা প্রজাতির অংশ।

এই ধরনের ভাইরাস এর আগে ও পৃথিবীর কয়েকটি দেশে মহামারি ঘটিয়েছিল। যার একটি ছিল MERS এবং SARS. ২০২০ সালের প্রথম দিকে নতুন সৃষ্ট ভাইরাসের নাম দেওয়া হয় COVID -2019। রোগের নাম দাড়াঁয় SARS-CoV 19.শ্বাসনালীতে প্রদাহ সৃস্টির মাধ্যমে মানবদেহে উপসর্গ তৈরি করে বলে এমন নামকরণ করা হয়। এটি প্রতিরোধ করার জন্য চীন যা করেছিল তা হলো পৃথক্করণ,সামাজিক দুরত্ব এবং সংক্রমিত জনগোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা।এমনটা করে এর আগে সিঙ্গাপুর ও হংকং সার্সের প্রাদুর্ভাবের সময় সফল হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রায় তিনমাস আগে চীনে করোনা ছোবল দেখে বিশ্ববাসী।সবাই দেখেছে চীন সরকার প্রথম দিকে কেমন অসহায় হয়েছিল। পরে যখন পৃথক্করণ (অর্থাৎ লকডাউন করে দেয়) তখন ধীরে ধীরে করোনার ছোবল থেকে অনেকটা বেরিয়ে আসতে থাকে তার দেশ। সেই সাথে যারা বেশি আকান্ত হয়ে ছিল তাদের আইসোলোশন করা মানুষকে বাচাতে প্রানপন চেষ্টা করে চীনের সরকার স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়, ও স্বাস্হ্য অধিদপ্তর। সাথে ছিল তার দেশের সচেতন জনগন। সরকারের আহবানে সবাই সাড়া দিয়ে এক হয়ে কাজ করে যার ফলে খুব অল্প মানুষের প্রানহানী হয় চীনে।

এবং আক্রান্তের সংখ্যাও প্রায় আশি হাজারের মতো। এই সফলতার মুলে ছিল তার সরকারের সদিচ্ছা, এবং তার মানুষের ছিল সরকারের প্রতি আস্হা ও বিশ্বাস। আমরা আমাদের দেশে করোনা চীনের তিম মাস পরে সংক্রমিত হলে ও আমরা করোনা প্রতিরোধের জন্য কতটা প্রস্হুত ছিলাম তার প্রমান এখন আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। যেদিন আমরা জানলাম আমাদের দেশে কভিড-১৯ সংক্রমন ঘটেছে,

সেদিনই গনহারে মাস্ক,হাত পরিস্কার করার যেসব সরঞ্জামাদির সংকট দেখা গিয়েছিল। এক শ্রেণীর মুনাফলোভীদের জন্য এটা আশির্বাদ হয়ে দেখা দিল। বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা কিন্তু বলেছিল, যে সুস্হ তার মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই।তবে সুস্হ মানুষ যদি সব সময় মাস্ক ব্যবহার করে,তবে তার স্বাস্হ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এটা এজন্য যে আমি সকল মাস্ক কিনে ব্যবহার করলাম,আমার প্রতিবেশি ব্যবহার করতে পেল না।সে যদি আক্রান্ত হয় তবে আমার ও আক্রান্ত হওয়ার ঝুকিঁ থেকে যায়। সেজন্য বিশেষ ধরনের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ। কারন বাজারে প্রাপ্ত সকল মাস্ক এ ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারেনা বলে বলা হয়েছিল।

গোটা বিশ্ব যখন তার নিজ নিজ দেশের মানুষের জীবন বাচাতে দিন রাত নির্ঘুম সময় পার করছে। ঠিক তখনই করোনাকে পুজি করে এক দল অসৎ অসাধু মুনাফাখোর লোভী নির্লজ্জ মানুষ ব্যবসায় নেমেছে। কি অদ্ভুধ ব্যাপার চিন্তা করা যায় না।মানুষ এতো নির্লজ্জ হতে পারে? প্রশ্ন থেকে যায় আমরা কি সেই গর্বের মানুষ গুলো,যাদের আছে হাজার বছরের ইতিহাস।আছে বিশ্বদরবারে মাথা উচু করে কথা বলা সেই মানুষ। যে দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষনে জড়ো হয়েছিল লক্ষ লক্ষ মুক্তিপাগল জনতা।আজ বঙ্গবন্ধু বেচে থাকলে তিনি ও আমার মতো অবাক হতেন নিশ্চয়।

কাদের জন্য এই দেশ স্বাধীন করা এই সব চোর চামান্ডাদের জন্য, যারা জীবন মৃত্যুর মুখোমুখি মানুষদের নিয়ে অবৈধ অর্থের পাহাড় গড়েছে বা গড়তে ব্যস্ত। দেশ স্বাধীনের সময় যারা দেশের বিরোধীতা করেছে তারা রাজাকার খেতাব পেয়েছে। পেয়েছে তাদের কর্মের সাজা। আজ যারা বঙ্গবন্ধু কন্যার নির্দেশ অমান্য করে অসৎ পথে এই মহামারি পুজি করে অর্থের পাহাড় গড়েছে বা গড়তে ব্যস্ত তাদের কি খেতাবে ভূষিত করা হবে।অবশ্যই এদের একটি খেতাব প্রাপ্য।কারন যারা মহামারি নিয়ে ব্যবসা করেছে বা করছে তারা যে টাকার জন্য এর চেয়ে বড় কোন কাজ করবে না তার কি নিশ্চয়তা আছে।

তাই এদের তালিকা করে খেতাব দিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবী। শুধু তাই নয় সত্যিকার অর্থে অপরাধী বা অপরাধ কমাতে হলে এদের কঠোর শাস্তির বিধান কার্যকর করা হোক। কারন রাষ্ট ক্ষমতায় এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রয়েছেন।তাই স্বাধীনতার সময় যারা এই দেশে থেকে এদেশের বিরোধীতা করেছিল তাদের অনেকের বিচার বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার করেছে।আর এখন যখন তিনি শক্ত হাতে হাল ধরে করোনা প্রতিরোধ করার আপ্রান প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তখন যারা তার নির্দেশ অমান্য করে, এই করোনা পুজি করে মানুষের দুর্বলতা পুজি করে যে জগন্য কাজ করেছে তাদের ও কঠোর শাস্তি দেখতে চায় এদেশের জনগন। এবং এই করোনায় এমন কাজ করে যারা বিশ্বে দেশের ভাব মুর্তি নষ্ট করেছে, সরকারের সুনাম নষ্ট করেছে তাদের কঠোর শাস্তি দেয়া এখন সময়ের দাবি। আর তা করলে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি আবার উজ্জল হবে। শুধু তাই নয় এতে করে আর কেউ কোনদিন এমন কাজ করার সাহস পাবে না আশা রাখি। সরকার কে সচ্চতা প্রমান করতে এসব কাজ করতে হবে, শুধু লোক দেখানো, সাহেদ করিম, সাবরিনা, আরিফ কে গ্রেফতার করলে হবে না।

কারন আমরা মিডিয়ার সুবাধে প্রতিদিন নানা ধরনের কথা শুনছি। যারা গ্রেফতার হচ্ছে তারা অনেকে বলেছে শুধু কি তারা তাদের সাথে আরো কত জড়িত। তাই জাতি জানতে চায় কারা জড়িত? তাদের মুখোশ উম্মোচিত হোক আনা হোক তাদের আইনের আওতায়। কারন এসব লোক কখনো দেশের জন্য মঙ্গল হতে পানে না। এদের কি শাস্তি হয় তা দেখার পালা। এরা কখনো কোন দলের জন্য মঙ্গল হতে পারে না। এদের কোন পরিচয় নেই যদি ও বলা হচ্ছে তাই বিচারের বেলায় যেন কোন ধরনের প্রহসন দেখা না যায় তাহলে তা প্রশ্ন বিদ্ধ হবে। রিজেন্ট,এনাম মেডিকেল,চট্রগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতাল,, সাহাব উদ্দিন সহ যথ সব হাসপাতাল সরকারের সাথে বিট্রে করেছে বা নিয়মের বাহিরে যে অপরাধ মুলক কাজ করেছে তা যেনো কোন ভাবে ছোট করে দেখা না হয়। তা নিছক কোন সাধারন অপরাধ নয় এটা কোন ভাবে হেয়ালি বা অন্য কোনভাবে দেখার সূযোগ নেই। মানুষ এখন তাকিয়ে আছে অপরাধীদের শাস্তি কি হয় তা দেখার অপেক্ষায়।আর একটি অপরাধ ঘটার আগেই এদের শাস্তি কার্যকর করলে অন্যরা আর অপরাধ করার সাহস দেখাবে না। স্বাস্হ্য খাতের যে অনিয়ম হয়েছে তা একদিনে হয়নি।লিখছিলাম আর শুনছিলাম মিডিয়ার বদৌলতে যে আমরা কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছি। আমরা মুখে আর বক্তব্যর মঞ্চে শুধু নীতি আর আদর্শের কথা বলে থাকি,কিন্ত কাজ করি তার উল্ঠো। এই যেমন গত তিনদিন আগে ঢাকা বিশাববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিট্রাস্ট ও অপরাজিতার পরিচালক শারমিন জাহান মাস্ক দূর্নিতীর দায়ে গ্রেফতার হয়েছেন।

শুনতে কেমন লাগে বলুন তো এ রকম একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি আমরা তার অন্য পরিচয় নাই জানলাম, যদি এমন কাজ করেন তাহলে আমরা এই রাষ্টে ও বহিবিশ্বে মুখ দেখাবো কি করে। মানুষের মৌলিক যে পাচঁটি অধিকার তার মধ্যে একটি হলো তার চিকিৎসা । আর তা নিয়ে যদি এদেশের শিক্ষিত, ও নেতা পরিচয়ধারী অপরাধীরা অপরাধ করে বেড়ায় তা কখনো মেনে নেয়া যাবে না। শুধু স্বাস্হ্য খাতে নয় এমন অপরাধ প্রতিটি প্রতিষ্টান সরকারী বেসরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সকল ক্ষেত্রে এখনই সময় এদের নির্মূল করার।এদের শেকড় উপড়ে ফেলা না পর্যন্ত এ সকল অপরাধ ঘটবে। তাই শুধু কথার কথা না কাজের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে জনগন ও বিশ্বে যেভাবমুর্তি ছিল তা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।কারন আমাদের দেশের ঔষুধ শিল্পের প্রায় দুশ উপর দেশে আমাদের ঔষধ রপ্তানি হয়। এখন এই করোনা কালিন সময় যে সকল দুর্ণিতী হয়েছে জানিনা আর কোন দেশ আমাদের থেকে আর কোন ঔষধ নিবে বলে আমার মনে হয় না।

তাই লাগাম টেনে ধরার এখনই সময় আর দেরি করা চলবে না। যা হবার হয়ে গেছে দুর্ণিতীবাজরা রাজনীতির সাইনবোর্ড ব্যবহার করে মানুষের জীবন নিয়ে যে নোংরা খেলা খেলেছে তা এখানেই বন্ধ করতে হবে। আর কোন সাহেদ যেন সাইনবোর্ড ব্যবহার করে অনোমোদনহীন কোন প্রতিষ্ঠানে টেষ্টের নামে হাসপাতাল খুলে দুর্ণিতীর কারখানা খুলে না বসে।তাই আর দেরি নয়, অনেক সময় পার হয়ে গেছে। আমরা যদি মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্টিত করতে চাই তাহলে এরকম কিছু আগাছা উপড়ে ফেল্লে কিইবা এমন খতি হবে।যারা এমন দুর্ণিতীর কাজের সাথে জড়িত আমি বলব তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক কখনো হতে পারেন না। তাই মনে করি যারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বলে পরিচয় দেয় তাদের উচিত প্রতিদিন একবার বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চের ভাষণ শুনা।

আমাদের কে এই দুর্ণিতীর করাল গ্রাস থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। উন্নত রাষ্ট আমরা হবো, শুধু একটু আন্তরিক আর দেশ প্রেম থাকতে হবে।বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন আমাদের তা বাস্তবায়ন করতে হলে একটু সদিচ্ছা হলেই সম্ভব। তবেই আমরা আমাদের ভাবমূর্তি ফিরে পাব।আমরা যে কোন কাজ করার আগে আমাদের বিবেকের সাথে একবার প্রশ্ন করব আমি যা করছি তা কি ঠিক? আমরা এই করোনা থেকে ও অনেক কিছু শিক্ষা নিতে পারি। করোনা শুধু নেয়নি আমাদের অনেক কিছু শিক্ষা দিয়ে গেছে।যারা জ্ঞানী তারা তা কাজে লাগায়, আর শিক্ষত নামের পশুরা নিজের স্বার্থের চিন্তা করে। ওরা ভাবে না যে সে যদি এখন করোনায় আক্রান্ত হয় তবে কি হবে এই অবৈধ টাকা দিয়ে। তাই আসুন সবাই এই সব দুর্ণিতীবাজদের বিরোদর্ধে রোখে দাড়াই।সামাজিক ভাবে করোনার মতো এদের থেকে দুরে থাকি।সামাজিকতা এদের সাথে বন্ধ করি,সামজিক ভাবে এদের প্রতিহত করি।নিজের চিন্তা করি, দেশের চিন্তা করি। ভালো কাজ সকলে মিলে করি।সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি।সচেতনতাই পারে করোনা কে জয় করতে। ভয় নয় আপনি আমি সচেতন হই।
লেখক: সাংবাদি/ কলামিষ্ট।

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /০৪ আগস্ট ২০২০/এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ