1. [email protected] : Developer :
  2. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
  3. [email protected] : Faisal Younus : Faisal Younus
সত্য কথা, বড় তিতা
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

সত্য কথা, বড় তিতা

  • আপডেটের সময় : জুলাই, ৮, ২০২০, ৬:৫৬ pm
সত্য কথা বড় তিতা
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শহিদ আহমদ চৌধুরী :: মিডিয়ার বদৌলতে আমরা অনেক ঘটনা অনেক খবর দেখি বা শুনি।যখন কোন মহামারির সময় এমন ঘটনা শুনতে হয় যে করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া, নিয়ম বহির্ভূতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় এবং মেয়াদপূর্তির পরও লাইসেন্স নবায়ন না করায় রিজেন্ট হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে র্যাব।

অবাক করার বিষয় গুলো ঘটছে স্বাস্হ্য খ্যাতে এই করোনা কালে। রিজেন্ট হাসপাতাল প্রথম সরকারের সাথে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার করার জন্য চুক্তি করে। বেসরকারি এ হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মহামারীর সঙ্কটকে পুঁজি করে তারা জালিয়াতি ও অনিয়মের মাধ্যমে রোগীদের ঠকাচ্ছিল, চুক্তি ভঙ্গ করে তারা সরকারের সঙ্গেও প্রতারণা করে আসছিল।স্বাস্হ্য অধিদপ্তের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এর সত্যতা পেয়ে তা বন্ধের ঘোষনা দেয়া হয়। এবং বন্ধ করে সিলগালা করে দেয়া হয়। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস শুরুর সাথে সাথে মার্চে কভিট- ১৯ রোগিদের চিকিৎসার জন্য রিজেন্ট হাসপাতাল কে মনোনিত করেছিল সরকার।এলাকাবাসির আপত্বির মধ্যে ও চলতে থাকে করোনা রোগির চিকিৎসা। কিন্তু বিভিন্নভাবে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ আসতে থাকে রোগি ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে। করোনাভাইরাসের নমুনা পরিক্ষা না করেই সরকারি প্রতিষ্টানের প্যাড ও সিল নকল করে রোগিদের ভূয়া রিপোর্ট দেয়। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি ভূয়া রিপোর্ট জমা পড়ে র্যাবের কাছে। র্যাব এসব যাচাই করে দেখে যে তারা কোন সরকারি স্বাস্হ্যকেন্দ্রে এসব পরিক্ষা করে নি রিপোর্ট ও নেয়নি।

এসব অভিয়োগের ভিওিতে র্যাব উওরায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের মুল প্রতিষ্টানে অভিযান চালায় র্যাব। মঙ্গলবার ও সেখানে অভিযান চালায়। দুই জায়াগায় বেশ কিছু অনিয়ম ও অনুমোদনহীন টেস্ট কিট ও ভূয়া রিপোর্ট পাওয়ার কথা জানায় র্যাব। হাসপাতালটির সঙ্গে সরকারের চুক্তি ছিল চিকিৎসায় তারা রোগির কাছ থেকে কোন টাকা নেবে না। ঐ ব্যায় বহন করবে সরকার। কিন্তু তারা সেই চুক্তি ভঙ্গ করে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছে। জন প্রতি টেষ্টে ৩ থেকে সাড়ে তিন হাজার করে টাকা নেয়। এবং তারা প্রায় ৪ হাজারের উপর রোগির নমুনা সংগ্রহ করে। সেই হিসেবে কত টাকা হাতিয়ে নিলো রিজেন্ট গ্রুপের এই ভূয়া দুটি হাসপাতাল। অনোমোদনহীন লাইসেন্স দিয়ে কিভাবে এতো দিন এই হাসপাতাল চালালেন। আবার কি করে এই অনুমোদন হীন কাগজ দিয়ে কি করে চুক্তি করলেন তা খতিয়ে দেখার বিষয়।

এবং তার সাথে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সময়ের দাবি।শুধু আইনের আওতায় আনলে হবে না কঠোর শাস্তি এদের প্রাপ্য। এরা মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করে।মানুষ জীবন বাচাতে ডাক্তার ও হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেই প্রতিষ্ঠান যদি প্রতারনার আশ্রয় নেয় তাহলে কোথায় ভরসা রাখবে জনগন? কে দেবে এর জবাব?আমার লেখা ছিল চট্রগ্রামের ম্রাক্স হাসপাতালে মৃত এক ব্যাক্তির নামে ভূয়া বিল তখন বলতেই হয়, এরা ও কি মানুষ? অবাক হই সেই সব অমানুষদের আচার ব্যবহার দেখে। এরা দেখতে মানুষ হলে কাজ কর্ম মানুষের নয়।বলছিলাম চট্রগ্রামের ম্র্যাক্স হাসপাতালের কথা। গত ৪ জুন কালের কণ্ঠ প্রত্রিকার প্রতিবেদন ছিল করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যাক্তির চিকিৎসার নামে ৮৪ হাজার টাকার “ভুয়া বিল”।তা পড়ছিলাম
মনে মনে ভাবছিলম এরা আসলে কি মানুষ না খসাই। কোন সুস্হ সঞ্জানের মানুষের পক্ষে আমার মতে এসব কাজ করা সম্ভব নয়। আগে ছোট বেলায় সিনেমায় এমন দৃশ্য দেখেছি। মৃত ব্যাক্তিকে লাইফ সাপোর্টে রাখার নাম করে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ রোগির পরিবার দিয়ে কিনে আনানো।

আবার সেই সব ঔষধ নিজেদের ডিসপেনসারিতে নিয়ে যাওয়া। দুই টাকার জিনিস দশ টাকা ধরে বিল করা।কখনো মৃত রোগিকে জীবিত বলে দীর্ঘ সময় রেখে মৃত ঘোষনা। এমন অনেক ঘটনা সিনেমাতে দেখেছি। কিন্তু বাস্তবে ও যে হয় না তা কিন্তু নয় তবে অনেক কম শোনা যেতো। বর্তমান করোনা কালে মানুষ যখন বাচার তাগিদে অসহায় হয়ে পড়েছে, বাচার চেষ্টাতে যে যে হাসপাতালে পারছে চেষ্টা করছে চিকিৎসা নিয়ে বাচতে। মানুষের অসহায়ত্ব যে কত করোন তা সেই সব চিকিৎসা সেবার নামে হাসপাতাল নামক খসাই খানার অমানুষ রা বুঝে না। এমনি তে কেউ রোগি হয়ে হাসপাতালে গেলে সেই পরিবারের মানুষ গুলো কে যে কত কষ্ট করতে হয়,তা শুধুমাত্র সেই পরিবারের লোকজন ই জানে। খুব খারাপ অবস্হা না হলে কেউ হাসপাতালে ভর্তি হতে চায় না।

এর পিছনে ও অনেক কারন আছে, পরিবারের বাবা, মা যদি অসুস্হ হন তারা কখনো হাসপাতালে যেতে চান না। তারা তখন নিজের চিন্তা করেন না
তারা ভাবেন যে হাসপাতালে গেলে তার পিছনে একগাদা টাকা খরচ হবে সে গুলো থাকলে পরিবারের লোকদের কাজে লাগবে। অথবা যদি কোন অসচ্ছল পরিবারের কেউ হন তাহলে তো আর কথাই নেই তাকে হাসপাতালে নেয়াই কষ্ঠকর হয়ে পড়ে। তখন এই অসচ্ছল পরিবার গুলোকে হাসপাতালের টাকা যোগাড় করতে কত কষ্ট করতে হয় তা একমাত্র তারাই জানে। অনেক পরিবার দেখেছি স্বর্ণ বন্ধক রেখে,অথবা এটা সেটা বিক্রি করে টাকা যোগাড় করতে হয়।এত সব লেখার পিছনে একটাই কারন এমন অনেক পরিবার নিজে দেখেছি টাকা যোগাড় করার কষ্ঠের ইতিহাস। এগুলো বাস্তবতা আর সেই জায়গায় যদি এমনটা হয় তবে কেমন লাগে পাটক। করোনা বাংলাদেশে(আমাদের দেশে) ৮ মার্চ দেখে দেয়। প্রথম রোগী ছিলেন মাত্র তিনজন। ধীরে ধীরে তা জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে।

যার কারেন আজ বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লক্ষ্যে আটষট্রি হাজারের উপরে । করোনা প্রথম দেখা দেয় চীনের উহানে। চীন সাথে সাথে সেই এলাকা লকডাউন করে দেয়। বন্ধ করে দেয় অবাদে চলাচল। সেই সাথে বন্ধ হয়ে যায় আন্তর্জাতিক সকল দেলদেন। বন্ধ হয়ে যায় সকল পর্যটকের ভ্রমন,সরিয়ে নেয় প্রত্যেক দেশ তার কূটনৈতিক। তাদের দেশে পড়ুয়া সকল ছাত্র ছাত্রীও প্রত্যেক দেশ ফেরত নিয়ে আসে। যার ফলে তার দেশ খুব সহজে করোনা বড় থাবা থেকে রক্ষা পায়। তাদের দেশে করোনায় মৃত্যু বরণ করে চার হাজারের বেশি কিছু মানুষ। এবং আক্রান্ত হয় প্রায় ৮০ হাজারের মতো। চীন কি করে তা নিয়ন্ত্রনে রাখলো তা আমাদের দেশের স্বাস্হ্যমন্ত্রণালয় কি খেয়াল করেন নি।

চীন প্রথমেই রোগ নির্ণয় করেছে,যখন দেখেছে যে এটা ছোয়াছে রোগ, এটা করোনা প্রজাতির ( কভিড-১৯) তখন তারা কড়া লকডাউনে চলে গেছে। শুধুমাত্র জরূরী কাজ ও কাজে ব্যবহৃত যানবাহন লোকজন ছাড়া অবাধে চলাচল ও চলাচলে কঠোরতা অরোপ করে চীনা সরকার যার কারনে তারা এতো দ্রূত সফলতা পায়।চীন এতো দ্রূত সময়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পেছনে তাদের সরকারের স্বাস্হবিধী মানার যে ব্যবস্হা তা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সরকারের আন্তরিকতায় মানুষ ও সাড়া দিয়ে সহোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।নিরলস ভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানুষ কে সুস্হ করে তোলতে তাদের কোন গাফলাাতির খবর আমরা শুনিনি। একটি পোষ্টে দেখেছিলাম চীনা হাসপাতালের করোনায় আক্রান্ত মৃত্য পথযাত্রী এক রোগিকে গোধুলী বেলার সূর্যটা দেখাচ্ছেন হাসাপতালের একজন কর্মকর্তা।

তার শেষ ইচ্ছা ছিল তিনি নি:স্বাশ ত্যাগের আগে রঙ্গিন পৃথিবীটা দেখে যেতে চান। তাকে হাসপাতালের বাহিরে এনে পৃথিবীটাকে দেখানো হলো। চীনের প্রায় তিনমাস পর আমাদের দেশে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়।এই তিন মাস সময় পেয়ে আমরা কি করলাম।

কি ব্যবস্হা নিলাম দেশের মানুষের জন্য। কেউ কেউ এমনটা ও বলেছিলেন আমরা করোনার চেয়ে শক্তিশালি। আমরা করোনা মোকাবেলা করতে প্রস্হুত। আমার কথা সেখানে নয়, কথা হলো যদি প্রস্তুত ছিলেন তবে কেনো আজো হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে রোগি মারা যায়।কিছু কিছু হাসপাতাল করোনা রোগি শুনলে ভর্তি করে না,এটা থেকে ওটাতে ঘুরতে ঘুরতে রাস্তায় রোগি মারা যায়। আবার কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগির চিকিৎসারর নামে ভুয়া বিলের খবর শুনতে হয়। কি ব্যবস্হা রাখলেন আমাদের স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয় ও স্বাস্হ্য অধিদপ্তর। কিটের জন্য দিত্বীয় বারের মতো করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয় না ঘন্টার পর ঘন্টা রোগি লাইনে দাড়িয়ে থেকে ফেরত আসতে হয়।

কোন ধরনের ঘোষনা ছাড়া হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহ বন্ধ সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়া হয়।অজুহাত দেখিয়ে ৬/৭ নমুনা পরিক্ষা ছাড়া রেখে দেয়া হয়। পরিক্ষার রিপোর্ট পেতে না কি ১৩/১৪ দিন সময় লাগে তার দেখেছি শোনেছি। ।নমুনা দিতে গিয়ে মানুষের ৮/৯ ঘন্টা দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থেকে ফেরত আসতে হয়। সরকারী মেডিকেলে ঘোষনা ছাড়া কীট নেই বলে বন্ধ করে দেয়া এসব আমরা মিডিয়ার বদৌলতে দেখেছি, শুনেছি।তাহলে কথা হলো দীর্ঘ সময় হাতে পেয়ে আমরা কি ব্যবস্হা নিলাম এ কি তার নমুনা।আমাদের দেশের কর্মকর্তা যারা স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয় ওস্বাস্হ্য অধিদপ্তের রয়েছেন মাঝে মাঝে তাদের কাজের কথাবার্তা শুনে অবাক হই।একেক জন একেক জনকে দোষারোপ করে চলেছেন। কেউ কেউ আবার দায় সারা জবাব দেন মিডিয়াতে। ভেবে পাই না এমন দায়িত্বহীন কাজের জন্য এ অবস্হা আজ বিরাজ করছে।হাসপাতালে আজ রোগির জায়গা নেই, আর যে সমস্ত সেবা দানের কথা বলে বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে তাদের মধ্যে হাসপাতাল নামদারি কসাই খানার খসাইরাও রয়েছে। ভালো মন্দ মিলে এই পৃথিবীটা চলছে। তাই বলে এই সময় ও এরা এমন কাজ করতে পারে চিন্তা ও করতে পারিনা।

আমার জানা মতে এই নিয়ে তিনটি বেসরকারি হাসপাতালের কথা জানলাম যার মধ্যে কেউ নিজের স্বার্থে সরকারের সাথে চুক্তি করে আবার তা ভঙ্গ করেছে। আবার এই হাসপাতাল সেবা না দিয়ে ভুয়া বিল ধরিয়ে দিয়েছে।তা নিয়ে অনেক পানি গোলা ও হয়েছে যা অনেকেই মিডিয়ার বদৌলতে শুনে থাকবেন। আর এটা করল মৃত ব্যক্তির নামে ভূয়া বিল। কিভাবে এমন সাহাস দেখায়, প্রথমে যদি এদের টুটি চেপে ধরা হতো তবে আজ আর বাকিরা এমন কাজ করার সাহস পেতো না। সত্যি আমাদের বিবেক মনুষ্যত্ব কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে চিন্তা করা দরকার।

যেখানে আমাদের মাননীয় প্রাধানমন্ত্রী মানুষ কে বাচাতে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যেতে সবার প্রতি আহব্বান করে যাচ্ছেন। মানুষ কে সেবা দিতে যেখানে যা প্রয়োজন তিনি তা করে যাচ্ছেন।তিনি নিজে বার বার বলছেন স্বাস্হবিধী মেনে চলতে,নিজে সুরক্ষিত থাকতে,এবং অপরকে সুরক্ষিত রাখতে।

আর সেই সব কসাইরা এসব মাথায় না নিয়ে মহামারির সময় ও কিভাবে টাকা কামানো যায় সে চিন্তায় তারা ব্যস্ত রয়েছে। এরা সেবার নামে সেই সব মানুষের সাথে প্রতারনা করেছে। তাই সব কালো ব্যবসায়ীদের তালিকা করে এদের আইনের আওয়াত এনে কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে। সাথে সাথে সেই সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে চিরতরে। তা যার ই হোক। আমরা চাই না দু চারটি কালো প্রতিষ্ঠানের কারনে আমাদের সকল প্রতিষ্ঠনের দূর্ণাম হোক। আমাদের অনেক অর্জন রয়েছে তা যেন দূর্নীতিবাজ মানুষ ও প্রতিষ্টানের কারনে নষ্ট হয়ে না যায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করি, আমাদের অনেক অর্জন রয়েছে। তা যেন কোন ভাবে নষ্ট হয়ে না যায় সেদিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করি।কারন আপনি কঠোর ছিলেন বলে চাল চোররা এখন আর চাল চুরি করতে পারেনা। আপনি তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসেছেন তা এখন কমে গেছে।আমার বিশ্বাস যে সমস্ত হাসপাতাল এমন কাজ গুলো করেছে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্হা নেয়া হবে। এবং ব্যবস্হা নিলে তাও কমে যাবে। আমাদের ডাক্তার, নার্স,পুলিশ, সেনাবাহিনী, বডারগার্ড,কোষ্ট গার্ড,সহ সকল সামিরক আধা সামরিক বাহিনি সিভিল ও প্রশাসন সহ সেচ্ছা শ্রমে যারা নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের অর্জন তাদের ত্যাগ তাদের অকৃতিম ভালোবাসা আমরা নষ্ট হতে দিতে পারিনা, সেই মানুষগুলো তাদের কোলের বাচ্চা রেখে, ঘরে অসুস্হ স্ত্রী রেখে অসুস্হ মাকে রেখে দেশের জন্য প্রত্যেকে অতি আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের স্যালুট জানাই।

আর সেই সব কালো বাজারিদের জানাই ধিক্কার। আমাদের অর্জন আমরা ম্লান হতে দিতে পারিনা,আমরা আমাদের বিজ্ঞানীরা এখন আমাদের অর্জন আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন হাজার গুন।আমরা এখন আশায় আছি আমাদের বিজ্ঞানীরা করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিস্কার করবেন। আমরা বিশ্বের সেই প্রভাবশালী দেশ গুলোকে দেখিয়ে দিব আমরা ও পারি।

বিশ্ববাসী ও দেখবে আমরা আর সেই হাত পাত দেশ নয় আমরা ও তোমাদের মতো পারি আমাদের অর্জন” নয় মাসে স্বাধীনতা। আমাদের অর্জন বিশ্ব আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস,আমাদের আছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, আছে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, এখন হচ্ছে মেট্রো রেল ।তাই আ মরা আশাবাদি খুব অল্পদিনের মধ্যেই আমাদের দেশের বিঞ্জানীরা ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসবেন সেই প্রত্যাশায়। আমাদের প্রত্যাশার জায়গা অনেক বিশাল সেই জায়গা থেকে আমাদের প্রত্যেকে আরো আন্তরিক হতে হবে।

আমরা দেখতে চাই আর কোন রোগি যেন বিনা চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ফিরে না আসে। তাহলে আমাদের যে সমস্ত অর্জন তা ম্লান হয়ে যাবে।মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন হাসপাতাল থেকে রোগি কেনো চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তাইতো আবার সেই কথায় আসতে হয় আমাদের স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয় ও স্বাস্হ্য অধিদপ্তের কথা। যা হবার হয়েছে আর যেন কেউ এমন ভুল না করে।মানুষ ভুলের উর্ধে নয় তবে জেনে শুনে যদি কেউ বার বার ভুল করে তবে তাকে ভুল বলে না।আমরা আর কোন দিন এমন ঘটনা শুনতে বা দেখতে চাই না। আমাদের কে আরো সতর্ক হতে হবে। আমরা সবাই যদি সচেতন হই তবে আমরা সুস্হ থাকতে পারবো।সেজন্য আমাদের প্রত্যেকে দ্বায়িত্বশীল আচরন করতে হবে।নিজে সুরক্ষিত থাকতে হবে, অপর কে সুরক্ষা দিতে হবে।নিজে ভালো থাকলে, ভালো থাকবে আপনার পরিবার,ভালো থাকবে সমাজ,ভালো থাকবে দেশ।তাই ভালো থাকতে হলে মানতে হবে স্বাস্হবিধি, সামাজিক দুরত্ব।প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে নয়,জরুরি কাজে বাহিরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

 

সম্ভব হলে হ্যান্ড গ্লাপ্স পরতে হবে।কাজ সেরে দ্রুত বাড়িতে ফেরে কাপড় চোপড় ধোয়ে ফেলতে হবে তবেই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। নিজে ভালো থাকি দেশ কে ভালো রাখি।করোনাকে জয় করি,করোনা মুক্ত দেশ গড়ি।

লেখক : সাংবাদিক/ কলামিষ্ট

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /০৮ জুলাই ২০২০/এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ