1. [email protected] : Developer :
  2. [email protected] : Sylhet Press : Sylhet Press
  3. [email protected] : Faisal Younus : Faisal Younus
দাওয়াইয়ের নাম হাসি
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  • আপডেটের সময় : জুন, ১৪, ২০২০, ৪:১৬ pm
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: অফিসের কাজে একদম মন বসে না বাবলুর। শুধু গা ম্যাজম্যাজ করে, কাজ করতে ইচ্ছে করে না, মেজাজটাও খারাপ হয়ে থাকে সবসময়। পরিস্থিতি দেখে বস একদিন ডাকলেন ওকে, ‘শোনো, এভাবে তো চলতে দেয়া যায় না। তোমাকে আরও চনমনে হতে হবে। কাজে সরব হতে হবে। আমারও এরকম হতো একসময়। তখন কী করতাম জানো? লাঞ্চ আওয়ারে সোজা বাড়ি চলে যেতাম। তোমার ভাবীর হাতের মজার সব রান্না খেয়ে, ঘন্টাখানেক ওর সঙ্গে প্রেম করে তবে অফিসে ফিরতাম। এরপর থেকে আমি একদম চাঙা হয়ে উঠলাম, আর কোনও সমস্যা হয় না আমার। তুমিও ওরকম একটা কিছু করে দেখো, ফল পাবে।’

সপ্তাখানেক পর বস দেখলেন, অফিসে বাবুর কাজ চলছে দারুণ। টেলিফোন, ফ্যাক্স, কম্পিউটার নিয়ে দারুণ সময় কাটাচ্ছে। বস দেখে হাসতে হাসতে জানতে চাইলেন, ‘কী মিয়া, পরামর্শ কাজে লাগল?’

বাবলু উৎফুল্ল কণ্ঠে বলল, ‘জি স্যার, একেবারে হাতে হাতে। আর ভাবীর মানে আপনার স্ত্রীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!’

০২.

চোর : আর দৌড়াতে পারছি না। দৌড়াতে দৌড়াতে হাঁফিয়ে গেছি! এই নিন, আপনার মেয়ের মোবাইল নিয়া যান।

মেয়ের বাবা : ও কথা মুখে আনবি না! এই মোবাইলের জন্য আমার মেয়ের পড়াশোনা ঠিকমতো হয় না।

চোর : তাহলে আপনি আমার পিছু পিছু দৌড়াচ্ছেন কেন?

মেয়ের বাবা : হেডফোন আর চার্জারটা নিয়া যা, নয়তো মোবাইলে চার্জ দিবি কীভাবে?

০৩.

শিক্ষক : মিথ্যে বলে সবাইকে ধোঁকা দেয়া রাখাল বালক আর বাঘের গল্পটা শুনেছ?

ছাত্র : জি স্যার, শুনেছি।

শিক্ষক : তাহলে বলো, এ গল্প থেকে আমরা কী শিক্ষা নিতে পারি?

ছাত্র : যতদিন আমরা মিথ্যা কথা বলব ততদিন লোকজন আমাদের সঙ্গে থাকবে! কিন্তু যেদিন থেকে আমরা সত্য কথা বলতে শুরু করব সেদিন থেকে লোকজন আর আমাদের ধারে-কাছে আসবে না!

০৪.

বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রী তার স্বামীকে বলল

স্ত্রী : জানো, আমি কত বড় মহৎ মানুষ?

স্বামী : কেন, কী হয়েছে?

স্ত্রী : কারণ বিয়ের আগে আমি তোমাকে না দেখেই বিয়ে করেছি।

স্বামী : তাহলে তো আমি তোমার চেয়েও বেশি মহৎ।

স্ত্রী : কীভাবে?

স্বামী : কারণ আমি তোমাকে দেখার পরও বিয়ে করেছি!

০৫.

শিক্ষক : তুমি বড় হয়ে কী করবে?

ছাত্র : বিয়ে।

শিক্ষক : আমি বোঝাতে চাইছি, বড় হয়ে তুমি কী হবে?

ছাত্র : জামাই।

শিক্ষক : আরে, আমি বলতে চাইছিতুমি বড় হয়ে কী পেতে চাও?

ছাত্র : বউ।

শিক্ষক : গাধা, তুমি বড় হয়ে মা-বাবার জন্য কী করবে?

ছাত্র : বউ নিয়ে আসব।

শিক্ষক : গর্দভ, তোমার মা-বাবা তোমার কাছে কী চায়?

ছাত্র : নাতি-নাতনি।

শিক্ষক : ইয়া মাবুদ! তোমার জীবনের লক্ষ্য কী?

ছাত্র : বিয়ে।

সৌজন্য যুগান্তর – গ্রন্থনা: রাফিয়া আক্তার

 

সিলেটপ্রেসবিডিডটকম /১৪ জুন ২০২০/এফ কে


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এই বিভাগের আরও খবর


© All rights reserved © 2020 SylhetPress
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ